$wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> $wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগ নিয়ন্ত্রণের ৫টি লক্ষ্য ও চিকিৎসা | সুস্বাস্থ্য ২৪
স্বাস্থ্য

অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগ নিয়ন্ত্রণের ৫টি লক্ষ্য ও চিকিৎসা

এমবিবিএস (৫ম বর্ষ), স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ।

অ্যাজমা (ASTHMA) বা হাঁপানি শ্বাসতন্ত্রের জটিল রোগ । শব্দটির উৎপত্তি গ্রীক শব্দ AZ – MA থেকে, যার অর্থ দ্রুত শ্বাস নেয়া। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পৃথিবীতে অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ৩০ কোটি। NAPS (National Asthma Privilege Society)’র হিসাব মতে বাংলাদেশে ৮০ লাখ হাঁপানি রোগী আছেন। এর মধ্যে শিশুদের সংখ্যা অনেক। অ্যাজমা নির্মূল করা না গেলেও আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে একে নিয়ন্ত্রণে রাখা মোটেই অসাধ্য নয়।

অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য:

১. উপসর্গ মুক্ত থাকা,

২. দ্রুত এবং ঘনঘন যেন হাঁপানি বৃদ্ধি না পায় তা নিশ্চিত করা,

৩. ফুসফুসের কার্যক্ষমতা সহনীয় পর্যায়ে রাখা,

৪. রোগের প্রকোপ বাড়তে না দেয়া,

৫. হাঁপানির জনিত মৃত্যু রোধ করা।

চিকিৎসা:

অ্যাজমা বা হাঁপানিতে আক্রান্ত রোগীকে রোগের পর্যায় অনুযায়ী চিকিৎসা দেয়া হয়। হাঁপানি রোগের চিকিৎসায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই একাধিক ওষুধ ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। হাঁপানি রোগের ওষুধগুলোকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে।

১। শ্বাসকষ্ট লাঘবকারী: সালবিউটামল, অ্যামাইনোফাইলিন, থিওফাইলিন শ্বাসকষ্ট লাঘবে ব্যবহার করা হয়। সালবিউটামল ব্যবহারে অনেকের বুক ধড়ফড় করে বা অস্থিরতা দেখা দেয়। কারো কারো হাত পা কাঁপতে থাকে। সেক্ষেত্রে লেভোসালবিউটামল ব্যবহার করা ভাল।

আরো পড়ুন  লো প্রেসার নিয়ন্ত্রণের ৫টি উপায়

২। শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধক: বেকলোমিথাসন, বুডিসোনাইড, ফুটিকাসোন ইত্যাদি শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।

৩। রক্ষাকারকঃ সালমেটেরল, ফরমেটেরল, লং অ্যাক্টিং থিওফাইলিন।

আমাদের দেশে অনেকেরই বদ্ধমূল ধারণা ইনহেলার অ্যাজমা রোগের শেষ চিকিৎসা। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে তা প্রাথমিক চিকিৎসা। যেকোন মুখে খাওয়ার ওষুধেই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে। কিন্তু ইনহেলার ব্যবহারে তেমন কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এমনকি গর্ভবতী মহিলাদের জন্যও ইনহেলার নিরাপদ। তবে ইনহেলারের ব্যবহারবিধি জানা অতি জরুরী। রেস্পচেম্বার বা অ্যারোচেম্বার দিয়ে ইনহেলার ব্যবহার করা উত্তম। এতে ওষুধ অপচয় হয় না এবং পরিমাণও ঠিক থাকে। জরুরী অবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শমত রোগীকে নেবুলাইজেশন করতে হবে।

মনে রাখতে হবে, রোগী নিজেই অ্যাজমা রোগের প্রাথমিক চিকিৎসক। হাঁপানি কোন ছোঁয়াচে রোজ নয়। নির্ভূল চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও সুস্থ জীবন-যাপন করা সম্ভব।