স্বাস্থ্য

আগুনে পুড়লে তাৎক্ষণিক যা করবেন: ১০টি টিপস

প্রতিনিয়ত বাড়িতে কিংবা কর্মক্ষেত্রে অসাবধানতাবশত আগুনে পুড়ে যায় শরীরের বিভিন্ন অংশ। আগুনে পুড়ে গেলে ভয় না পেয়ে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া জরুরি। এতে অনেকাংশেই পুড়ে যাওয়াজনিত জটিলতা কমানো যায়। অল্প আগুনে পোড়া রোগীকে বাড়িতেই চিকিৎসা দেয়া যায়। সেক্ষেত্রে নিচের দশটি বিষয় জেনে রাখা দরকার –

১. প্রথমেই আগুনের উৎসস্থল থেকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিতে হবে।

২. যদি কাপড়ে আগুন ধরে যায় তাহলে দৌঁড়ানো যাবে না। দাঁড়িয়ে কাপড় খুলে ফেলতে হবে। তবে পোড়া স্থানে কাপড় আটকে গেলে সরানোর দরকার নেই।

৩. পোড়া স্থানটি ঠাণ্ডা প্রবাহিত পানির নীচে ১০-১৫ মিনিট অথবা ব্যথা না কমা পর্যন্ত ধরে রাখতে হবে। একটা পরিষ্কার ভেজা তোয়ালেও পোড়া জায়গায় ধরে রাখা যায়।

৪.  পোড়া জায়গা ফোলার আগেই শরীরে গহনা, অলংকার বা অন্য কিছু থাকলে তা খুলে ফেলুন।

৫. পোড়া জায়গায় ফোস্কা থাকলে তা ফাটানো যাবে না। যদি ফোস্কা ফেটে যায় তাহলে সাবধানে জায়গাটি পরিষ্কার করতে হবে। পারলে অ্যান্টিবায়োটিক প্রলেপ ব্যবহার করা ভালো।

৬. পোড়া জায়গায় ময়েশ্চারাইজার কিংবা এলোভেরা ব্যবহার করলে ব্যথা কিছুটা লাঘব হবে।

৭. ব্যথা বেশি হলে ব্যথানাশক ওষুধ খেতে হবে। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

৮. পোড়া রোগীকে প্রচুর পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার খেতে হবে।

৯. রোগীর টিটেনাস ভ্যাকসিন না দেয়া থাকলে দ্রুত ভ্যাকসিন দেয়ার ব্যাবস্থা করতে হবে। অবশ্য পূর্বে দেয়া থাকলে নতুন করে দেয়ার প্রয়োজন নেই।

১০. বিশেষ করে মনে রাখতে হবে, পোড়া স্থানে কোনভাবেই তেল, বরফ কিংবা বরফ ঠাণ্ডা পানি লাগানো যাবে না।

যদি পোড়ার পরিমাণ বেশি হয় তখন প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। অথবা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।