$wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> $wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> ওজন কমাতে ক্রাশ ডায়েট গ্রহণের ১৫টি কুফল | সুস্বাস্থ্য ২৪
খাদ্য ও পুষ্টি

ওজন কমাতে ক্রাশ ডায়েট গ্রহণের ১৫টি কুফল

বি.এস.সি (আনার্স, শেষ বর্ষ), নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড টেকনলজি বিভাগ, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর।

উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে ওজন কমানো একটি বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেননা ওজন বেশি হলে ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ সহ নানা ধরনের অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। এছাড়া সুন্দর গঠনের জন্যও অনেকে ওজন কমাতে চায়। যারা ওজন নিয়ে ভাবেন বা চিন্তিত, তাঁদের কাছে ‘ক্রাশ ডায়েট’ শব্দটি অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয়। ক্রাশ ডায়েট মানে হচ্ছে, কঠোর খাদ্য নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে শরীরের ওজন কমানো। জনপ্রিয় হলেও এটা বিপজ্জনক ডায়েট হিসেবে বিবেচিত। কারন এর মাধ্যমে শরীরে পুষ্টিঘাটতি প্রকট আকার ধারণ করতে পারে। কারণ এক্ষেত্রে মূলত শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমিয়ে ওজন কমানোর পরিবর্তে ডিহাইড্রেশন হয়ে ওজন কমে। ফলে শরীরে তরল ও ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হয়। তাছাড়া শরীরের গুরুত্বপূর্ণ পেশী প্রোটিন ভেঙ্গে যায়! এছাড়া দীর্ঘমেয়াদী ক্রাশ ডায়েট শরীরের ভাইটাল অঙ্গসমূহ যেমনঃ হৃদপিণ্ড, বৃক্ক, যকৃত ও মস্তিস্কের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। পাশাপাশি আরও কিছু সমস্যা দেখা যায়। যেমন:

 

১. ক্ষুধা মন্দা,

২. অস্থিরতা,

৩. ক্রমাগত মাথা ঘোরা,

৪. ঘুম না হওয়া,

৫. পেটে ব্যথা,

৬. পেট খারাপ,

আরো পড়ুন  মিষ্টি খাবার খেয়েও নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডায়াবেটিস ও ওজন

৭. শারিক দুর্বলতা,

৮. রক্তশূন্যতা

৯. কাজকর্মে উৎসাহ না পাওয়া,

১০. সবকিছুতে আগ্রহ হারানো,

১১. মানসিক চাপে ভোগা,

১২. চেহারায় ক্লান্তির ছাপ পড়া,

১৩. ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট হওয়া অথবা ত্বকের সজীবতা হারানো,

১৪. চোখ অক্ষি কোটরের ভিতরের দিকে ঢুকে যাওয়া,

১৫.  পেটের চামড়া সহ শরীরের অনান্য অংশের চামড়া ঢিলা হয়ে ঝুলে যায়

 

তাই ওজন কমাতে চাই পরিমিত খাদ্য গ্রহণ ও কায়িক পরিশ্রম বা ব্যায়াম । এক্ষেত্রে আপনি একজন অভিজ্ঞ পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিতে পারেন।