$wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> $wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> জন্ডিসের লক্ষনসমূহ ও প্রতিরোধে ৮টি করণীয় | সুস্বাস্থ্য ২৪
স্বাস্থ্য

জন্ডিসের লক্ষনসমূহ ও প্রতিরোধে ৮টি করণীয়

এমবিবিএস (৩য় বর্ষ), ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।

জন্ডিস কোন রোগ নয়। এটা একটি উপসর্গ। লিভার বা যকৃতে প্রদাহ কিংবা পিত্তাশয়, পিত্তনালী বা অগ্ন্যাশয়ের বিভিন্ন সমস্যায় এই উপসর্গ দেখা যায়। লোহিত রক্তকনিকার হিমোগ্লোবিন থেকে উদ্ভুত একটি হলুদ বর্ণের পদার্থ হচ্ছে বিলিরুবিন। প্রতিনিয়ত লোহিত রক্তকনিকার ভাঙ্গনের মাধ্যমে দেহে এটা তৈরি হচ্ছে । সাধারণত রক্তে এই বিলিরুবিনের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া বা এর উৎপাদন কিংবা সঞ্চালন প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার কারণে জন্ডিস দেখা দেয়।

জন্ডিসের লক্ষনসমূহঃ

১) চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়া

২) প্রস্রাবের রং হলুদ হওয়া

৩) সমস্যা বেশি হলে পুরো শরীর গাঢ় হলুদ বর্ণ ধারণ করা

৪) পায়খানার রং ফ্যাকাশে হতে পারে

৫) বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়া

৬) জ্বর

৭) চুলকানি

৮) ক্লান্তি ও শারীরিক দুর্বলতা

৯) ক্ষুধামন্দা

১০) যকৃত শক্ত ও বড় হয়ে যাওয়া

১১) পেট ব্যথা (মূলত বাইল ডাক্টে প্রতিবন্ধকতাজনিত)

প্রতিরোধে করনীয়ঃ 

 (১) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, জীবাণুমুক্ত খাবার ও পানীয় গ্রহণই জন্ডিস থেকে বেঁচে থাকার প্রধান উপায়।

(২) রাস্তার পশের খাবার, আখের রস, বাইরের পানি, ফলের জুস, শরবত, ময়লা গ্লাস বা চায়ের কাপে চা পান ইত্যাদি থেকে বিরত থাকতে হবে।

আরো পড়ুন  কোলন ক্যান্সারের ৭টি লক্ষণ ও চিকিৎসা

(৩) যারা গ্রামগঞ্জে বাস করনে তাদের পুকুর ও নদীর পানির বদলে টিউবওয়েলের পানি পান করতে হবে ।

(৪) সময়মত হেপাটাইটিস-এর ভ্যাক্সিন গ্রহণ করতে হবে এবং ভ্যাক্সিনের ডোজ পূর্ণ করার ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে।

(৫) সিরিঞ্জ , টেস্ট টিউব ইত্যাদি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে । রক্ত প্রদান কিংবা গ্রহণ এবং যেকোন ছোট-বড় সার্জারির ক্ষেত্রে নতুন এবং জীবাণুমুক্ত সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে সেদিকে কিনা খেয়াল রাখতে হবে।

(৬) রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার যেমন: কলিজা, কচু, কাঁচা কলা ইত্যাদি খেতে হবে। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় আয়রন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

(৭) সাধারণত ওষুধ ছাড়াই ৭ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে জন্ডিস এমনিতেই সেরে যায়। তবে সেক্ষেত্রে পূর্ণ বিশ্রাম এবং পর্যাপ্ত তরলজাতীয় খাদ্য গ্রহণ করা অতীব জরুরী। জন্ডিস হলে গ্লুকোজ, আখের রস ও আনারস বেশ উপকারী।

(৮) কারো জন্ডিস হলে প্যারাসিটামল, অ্যাসপিরিন বা ঘুমের ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। এছাড়া পরিপাকতন্ত্রে জমে থাকা জীবাণুগুলো যাতে প্রদাহ তৈরি করতে না পারে সেজন্য রোগীকে প্রতিদিন কমপক্ষে একবার হলেও পায়খানা করা নিশ্চিত করতে হবে।