$wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> $wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> জিকা ভাইরাসের লক্ষণ ও প্রতিকার | সুস্বাস্থ্য ২৪
স্বাস্থ্য

জিকা ভাইরাসের লক্ষণ ও প্রতিকার

অধ্যাপক ও ডিন, মেডিসিন অনুষদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

বেশ কদিন ধরেই জিকা ভাইরাস নিয়ে সর্বত্র অলোচনা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এই রোগের ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে তাগিদ দিচ্ছেন।১৯৪৭ সালে আফ্রিকার উগাণ্ডায় প্রথম এই ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। তবে কখনোই মহামারী হিসাবে রোগটির বিস্তার হয় নাই।

মূলত এডিস ইজিপ্টি নামের মশার কামড়ের মাধ্যমে জিকা ভাইরাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এছাড়া রক্তের মাধ্যমেও জিকা ভাইরাস ছড়াতে পারে। তবে এমন সম্ভাবনা কম। তাই মশার কামড় থেকে বেঁচে থাকলেই জিকা ভাইরাসের আক্রমণ থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব।

 জিকা ভাইরাসে সংক্রমণের লক্ষণ

 জিকা ভাইরাসের লক্ষণগুলো হচ্ছে-

১. জ্বর।

২. দেহে লাল লাল ফুসকুড়ি।

৩. চোখের প্রদাহ। অর্থাৎ চোখ লাল হয়ে যাওয়া।

৪. হাতের জোড়ায় ও গোড়ালীতে ব্যথা।

৫. এছাড়া মাংস পেশি ও মাথায় ব্যথা হতে পারে।

প্রতিরোধ

জিকা ভাইরাসকে প্রতিরোধের একমাত্র উপায় এডিস মশার বিস্তার রোধ করা। এই মশা সাধারষত স্বচ্ছ-পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। তাই এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলোকে পরিষ্কার রাখতে হবে। একই সঙ্গে মশা নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

আরো পড়ুন  ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে গেলে কি করবেন?

মনে রাখতে হবে, এই রোগের চিকিৎসায় এখনো কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। ফলে সতর্ক থাকাটাই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। অবশ্য ডেঙ্গুর মতো এ রোগটা তত প্রাণঘাতী নয়। এ কারনে জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার ঘটনা খুবই বিরল। সাধারণত চিকিৎসা না করালেও বেশিরভাগ রোগী ৫ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এমনিতেই ভালো হয়ে যায়।