$wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> $wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> ডায়বেটিক রোগীদের জন্য উপকারী ১০টি খাবার | সুস্বাস্থ্য ২৪
খাদ্য ও পুষ্টি

ডায়বেটিক রোগীদের জন্য উপকারী ১০টি খাবার

পুষ্টিবিদ ও গবেষক, জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ অফিস।

ডায়বেটিক রোগীদের খাবার লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (Low Glycaemic Index)-এর হতে হবে। অর্থাৎ খাবারে গ্লুকোজ বা সুগারের পরিমান কম থাকতে হবে। এর পাশাপাশি ডায়াবেটিক রোগীদের খাবারে আরো কিছু জিনিস থাকা জরুরি। যেমন: ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আঁশ বা ফাইবার, ভিটামিন এ (ক্যারোটিনয়েডস), ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই। চলুন এমন ১০টি খাবারের নাম জেনে নেই যাতে এই উপাদানগুলো পাওয়া যাবে এবং যে খাবারগুলো ডায়বেটিক রোগীদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে।

১. শিম: শিম বেশ পুষ্টিকর খাবার। শিমে প্রচুর পরিমাণে আঁশযুক্ত স্টার্চ, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও উদ্ভিজ প্রোটিন পাওয়া যায়। রক্তে সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিম তাই খুব কার্যকর।

২. গাঢ় সবুজ শাক: গাঢ় সবুজ রঙের শাককে বলা হয় পাওয়ার হাউজ ফুড। এতে প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি এতে ক্যালরির পরিমাণও খুব কম থাকে।

৩. সাইট্রাস ফল: সাইট্রাস ফল বলতে লেবু, কমলালেবু, মাল্টা ইত্যাদিকে বুঝায়। এসব ফল ভিটামিন সি-এর দারুণ উৎস।

৪. মিষ্টি আলু: অনেকেই মনে করেন, ডায়াবেটিস হলে মাটির নিচের খাবার খাওয়া যাবে না। এই ধারণাটা ভুল। যেমন ধরুন, মিষ্টি আলু। এটা মাটির নিচে পাওয়া যায় এবং ডায়বেটিক রোগীদের জন্য বেশ উপকারী। কেননা মিষ্টি আলুতে প্রচুর ভিটামিন এ এবং  আঁশ বা ফাইবার থাকে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণে মিষ্টি আলু খাওয়ার অভ্যাস করলে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কমবে। মিষ্টি আলু এক্ষেত্রে ওষুধের মত কাজ করে।

আরো পড়ুন  আনার খেলে যে ১০টি উপকার পাবেন

৫. জাম: জাম বা জাম জাতীয় ফল যেমন: স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, ব্ল্যাকবেরি ও রাসবেরি ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য খুব উপকারী। কারন এই ফলগুলোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও ফাইবার থাকে।

৬. টমেটো: টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে অত্যাবশ্যক খাদ্য উপাদান যেমন: ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, আয়রন ইত্যাদি থাকে। টমেটো বেশ সহজলভ্য এবং টমেটো সালাদ বানিয়ে, রান্না করে বা সস হিসাবেও খাওয়া যায়।

৭. মাছ: যেকোন ধরনের মাছই প্রোটিনের ভালো উৎস। মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড থাকে যা ডায়বেটিক রোগীদের জন্য বেশ উপকারী।

৮. ঢেঁকি ছাঁটা শস্য: মেশিনে ছাঁটা চাল, গম বা অন্যান্য শস্যে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানের পরিমাণ কমে যায়। ঢেঁকিতে ছাঁটা হলে শস্যের খাদ্যগুণ অনেকাংশেই অটুট থাকে। ঢেঁকি ছাঁটা শস্যে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, ক্রোমিয়াম, ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি আসিড, ফোলেট, ফাইবার ও পটাশিয়াম থাকে। ডায়াবেটিক রোগীদের সুস্থতায় এই খাদ্য উপাদানগুলো প্রয়োজনীয়।

৯. বাদাম ও তিসির বীজ: অনেকেই মনে করেন, ডায়বেটিক রোগীদের বাদাম খাওয়া একেবারেই নিষেধ। এটা নিতান্তই ভুল ধারণা। বাদামে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম, ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বা স্নেহজাতীয় উপাদান থাকে। আর তিসির বীজে পর্যাপ্ত পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা রক্তে সুগারের মাত্রা কমাতে সহায্য করে।

১০. টকদই: টকদইতে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি থাকে। তাছাড়া মজবুত হাড় ও সুস্থ দাঁতের জন্যও টকদই উপকারী।