$wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> $wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> দাঁতের মাড়ির সঠিক চিকিৎসা প্রতিরোধ করবে অকাল প্রসব | সুস্বাস্থ্য ২৪
বিশ্লেষণ

দাঁতের মাড়ির সঠিক চিকিৎসা প্রতিরোধ করবে অকাল প্রসব

ফ্যাকাল্টি, পাবলিক হেলথ বিভাগ, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি- বাংলাদেশ

সম্প্রতি আমেরিকার গবেষকরা মাড়ির রোগ ও প্রিম্যাচিউর বার্থ অর্থাৎ অকাল শিশুর জন্মের মধ্যে একটি যোগসূত্র বের করতে সমর্থ হয়েছেন। এক্ষেত্রে গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব গর্ভবতী মা মাড়ির রোগের জটিলতায় ভোগে এবং সঠিক চিকিৎসায় তার সমাধান করে সেসব মায়ের অকালে শিশু জন্ম দেয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভ্যানিয়া ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা ৮৭২ জন গর্ভবতী মাকে নিয়ে একটি গবেষণা শুরু করেন। এর মধ্যে ৬ থেকে ২০ সপ্তাহের গর্ভবতী মায়েদের পর্যবেক্ষণ করা হয়, যাদের কেউ কেউ মাড়ির রোগে আক্রান্ত ছিল, আবার কারো কারো মাড়ির রোগ ছিল না। মাড়ির রোগে আক্রান্ত ১৬০ জন গর্ভবতী মায়ের চিকিৎসা করা হয় এবং পরবর্তীতে তা সফলভাবে নিরাময় হয়েছে কি না তাও দেখা হয়। মাড়ির রোগ ছিল না এমন গর্ভবতী মায়েদের শতকরা ৭ ভাগ সময়ের আগে, ৩৫ সপ্তাহের আগেই শিশু জন্ম দেয়। আর মাড়ির রোগে আক্রান্ত যেসব গর্ভবতী মায়েদের মাড়ির রোগের চিকিৎসা করা হয়নি তাদের ক্ষেত্রে অকাল প্রসবের শতকরা হার ২৩.৪ ভাগ। গবেষণায় আরো পাওয়া গেছে যে, মাড়ির রোগের চিকিৎসায় ব্যর্থ হওয়ার কারণেও অকাল শিশু জন্ম নিতে পারে। ওয়াশিংটন ডিসির আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব ডেন্টাল রিসার্চের বার্ষিক সভায় গবেষণালব্ধ এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করা হয়।