স্বাস্থ্য

রমজানে রোজা রাখার ৫টি শারীরিক সুফল

এমবিবিএস, বিসিএস, এফসিপিএস (২য় পর্ব)। মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, লাখাই, হবিগঞ্জ।

রোজা রাখার শারীরিক উপকারিতা অনেক। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, সারাদিন অভুক্ত থেকেও রোজাদারগণ তেমন কষ্ট অনুভব করেন না। বরং শারীরিকভাবে সুস্থ থাকেন। গবেষণায় দেখা গেছে, রোজা রখার মাধ্যমে অনেক দূরারোগ্য ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। চলুন, রোজা রাখার আরও কিছু শারীরিক সুফল সম্পর্কে জেনে নেই-

১। রোজা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং কোষের পুনর্গঠনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এছাড়া রোজা রাখলে শরীরের ক্ষতিকারক টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ নিঃসরণের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়।

২। রোজা রাখলে শরীরের ক্ষতিকারক ট্রাইগ্লিসারাইড এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে আসে। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে।

৩। রোজা রাখলে স্ট্রেস হরমোনের নিঃসরণের পরিমাণ কমে এবং মেটাবলিক রেট হ্রাস পায়। ফলে রোজা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৪। রোজার কারনে রক্তের সুগারের মাত্রা কমে। এটা ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের রোজা রাখার ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত। সম্ভব হলে রোজার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। বিশেষ করে, যেসব ডায়াবেটিস রোগী ইনসুলিন গ্রহণ করেন তাদের ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে রোজা রাখতে হবে।

আরো পড়ুন  রমজানে ডায়াবেটিক রোগীদের ৬টি করণীয়

৫। রোজা রাখলে শরীরে ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ সৃষ্টির সম্ভাবনা হ্রাস পায়।