$wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> $wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> স্ক্যাবিস বা খোস পাঁচড়া কীভাবে হয় ? স্ক্যাবিসের লক্ষণ কি কি ও হলে কি করবেন ? | সুস্বাস্থ্য ২৪
স্বাস্থ্য

স্ক্যাবিস বা খোস পাঁচড়া কীভাবে হয় ? স্ক্যাবিসের লক্ষণ কি কি ও হলে কি করবেন ?

এমবিবিএস। অনারারি মেডিকেল অফিসার, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল।

Scabis (স্ক্যাবিস) বা খোস-পাচড়া খুবই পরিচিত একটি চর্মরোগ। এই রোগে আক্রান্ত হননি এমন লোক খুঁজে পাওয়া বেশ দুষ্কর। Sarcoptis scabiei নামের পরজীবীর কারনে এই রোগ হয়।

স্ক্যাবিস যেভাবে ছড়ায়:

১. অল্প জায়গায় একসাথে অনেক লোক গাদাগাদি করে অবস্থান করলে। বিশেষ করে মাদ্রাসা বা স্কুলের হোস্টেলে শিশুরা যেভাবে থাকে।

২. আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে একই বিছানায় শুলে।

৩. আক্রান্ত ব্যক্তির চাদর, কাপড়,চেয়ার ও টেবিল ব্যবহার করলে।

৩. যৌনমিলনের মাধ্যমে।

স্ক্যাবিসের লক্ষণ:

১. স্ক্যাবিসের প্রধান লক্ষণ হচ্ছে চুলকানি

২. রাতের বেলায় চুলকানি বেশি হয়

৩. সারা দেহে ছোট ছোট ফুসকুড়ির মত দেখা যায়

আক্রান্ত স্থান:

১. আঙ্গুলের ফাঁকে

২. হাতের কবজি

৩. হাতের বাহু ও বগল

৪. নাভি ও নাভির চারপাশে

৫. স্তনের বোঁটা ও এরিওলা

৬. বেল্ট লাইনে অর্থাৎ যে স্থানে বেল্ট লাগানো হয়

৭. পুরুষ ও স্ত্রী জননাঙ্গ

৯. রানের চিপায় ও উরুর ভেতরের অংশ

১০. পায়ুপথ ও পশ্চাৎদেশে

চিকিৎসা:

স্ক্যাবিস হলে পরিবারের সবাইকে একসাথে চিকিৎসা নিতে হবে। আক্রান্ত হোক বা না হোক সবাইকেই চিকিৎসার আওতায় আনতে হবে। পরিবারের সবার ব্যবহৃত কাপড়, বিছানার চাদর একসাথে ধুয়ে ফেলতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে ভালভাবে গোসল করার পর স্ক্যাবিস প্রতিরোধী ক্রিম মুখমণ্ডল ব্যতীত সারা শরীরে লাগাতে হবে। এরপর ১২-১৬ ঘন্টা পর আবার ভালো করে গোসল করতে হবে। চুলকানির জন্য অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ খেতে হবে। যদি কারো ইনফেকশন বা সংক্রমণ হয়ে যায় তবে চিকিৎসকের পরামর্শমত অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে।

আরো পড়ুন  কিডনি ভালো রাখার ১০টি উপায়

মনে রাখতে হবে, সময়মত স্ক্যাবিস রোগের চিকিৎসা না করালে জটিল ধরনের কিডনি রোগ ও ভয়াবহ সংক্রমণ হতে পারে। তাই পরিস্কার-পরিছন্ন থাকা ও আক্রান্ত হলে যথাযথ চিকিৎসা নেয়ার ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে।