$wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> $wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> শিশুর খর্বতা ও স্বল্প ওজন প্রতিরোধে ডিমের ভূমিকা | সুস্বাস্থ্য ২৪
রিসার্চ আপডেট

শিশুর খর্বতা ও স্বল্প ওজন প্রতিরোধে ডিমের ভূমিকা

রিসার্চ ইনভেস্টিগেটর, আইসিডিডিআর,বি।

শিশুদের ডিম খাওয়ানোর ব্যাপারে অনেকেই অনেক ধরনের মিথ বা মিথ্যা গুজবে বিশ্বাস করেন। বাচ্চারা কোন বয়স থেকে ডিম খাবে, ডিম খেলে ঠিক কি লাভ হয়- তা নিয়ে অনেকেই বেশ দ্বিধায় ভোগেন। কিন্তু শিশুদের খাবার হিসেবে ডিম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ডিমের পুষ্টিগুণ অনন্য। শিশুদের যথাযথ শারীরিক বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব পুষ্টি উপাদান ডিমের মধ্যে রয়েছে।

বাচ্চাদের ডিম খাওয়ানোর উপকারিতা নিয়ে ইদানিং বেশ কিছু কাজ হচ্ছে। বিশেষ করে, বাচ্চাদের খর্বতা (Stunting) ও স্বল্প ওজন (Underweight) প্রতিরোধে ডিম কি ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে তা নিয়ে অনেক দেশেই গবেষণা চলছে। খর্বতা বা স্টান্টিং বলতে বুঝায়, বয়স অনুযায়ী বাচ্চার উচ্চতা কম হওয়া এবং স্বল্প ওজন বা আন্ডারওয়েট হচ্ছে বয়স অনুযায়ী শিশুর যতটুকু ওজন হওয়া দরকার ছিল তার থেকে ওজন কম হওয়া।

ছবি: নিয়মিত ডিম খেলে একই বয়সের অন্য বাচ্চাদের তুলনায় রোগ-বালাই কম হয়।

প্রতিদিন ১টি করে ডিম খাওয়ালে ৬ থেকে ৯ মাস বয়সী বাচ্চাদের খর্বতার হার প্রায় ৪৭ ভাগ পর্যন্ত এবং বয়স অনুযায়ী স্বল্প ওজনের হার প্রায় ৭৪ ভাগ পর্যন্ত কমানো সম্ভব।

সম্প্রতি শিশুদের খর্বতা ও স্বল্প ওজন প্রতিরোধে ডিমের ভূমিকা নিয়ে ইকুয়েডরে সম্পন্ন হওয়া একটি গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে ৬ থেকে ৯ মাস বয়সী বাচ্চাদের টানা ৬ মাস ধরে প্রতিদিন একটা ডিম খাওয়ানো হয়। ৬ মাস পর দেখা যায়, প্রতিদিন একটি করে ডিম খাওয়ানোর ফলে তাদের উল্লেখযোগ্য পুষ্টির পরিবর্তন হয়েছে। স্বনামধন্য মেডিকেল জার্নাল ‘পেডিয়াট্রিক্স’ (Pediatrics)-এ এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।  এই গবেষণার ফলাফল এক কথায় এইরকম, প্রতিদিন ১টি করে ডিম খাওয়ালে ৬ থেকে ৯ মাস বয়সী বাচ্চাদের খর্বতার হার প্রায় ৪৭ ভাগ পর্যন্ত এবং বয়স অনুযায়ী স্বল্প ওজনের হার প্রায় ৭৪ ভাগ পর্যন্ত কমানো সম্ভব। শুধু তাই নয়, এই গবেষণায় দেখা গেছে, যেই বাচ্চারা নিয়মিত ডিম খেয়েছে তাদের রোগ-বালাইও একই বয়সের অন্য শিশুদের তুলনায় কম হয়েছে।

আরো পড়ুন  সুস্থতার জন্য ৬টি উপকারী পুষ্টিতথ্য

সাধারণত ৬ মাস বয়সের পর বুকের দুধের পাশাপাশি বাচ্চাদের বিভিন্ন ধরনের সহায়ক খাবার (Complementary feeding) দেয়া হয়। এই গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী বাচ্চাদের সহায়ক খাবার হিসেবে প্রতিদিন একটি করে ডিম খাওয়ালে তাদের যথাযথ শারীরিক বিকাশ নিশ্চিত করা যাবে।