$wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> $wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> দুধ কেন খেতেই হবে | সুস্বাস্থ্য ২৪
খাদ্য ও পুষ্টি

দুধ কেন খেতেই হবে

কো-ফাউন্ডার ও সম্পাদক, সুস্বাস্থ্য ২৪।

নানা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ দুধ। এতে প্রোটিন বা আমিষ, শর্করা, ফ্যাট বা চর্বি, বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজ উপাদান পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়। দুধ ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি এবং পটাশিয়ামের দারুণ উৎস। দুধের ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতের গঠন এবং মজবুতিতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া দুধে ভিটামিন এ, ম্যাগনেশিয়াম, জিংক এবং থায়ামিন রয়েছে। গরুর দুধে আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়। এসব কারণে দুধকে বলা হয় সুষম খাদ্য। চলুন জেনে নেই, দুধ কেন খেতেই হবে-

ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ, হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধ ও অস্টিওপোরোসিস রোগের ঝুঁকি কমাতে: ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠন ও মজবুতি রক্ষার প্রধান উপাদান। আর তাই শিশু, বাড়ন্ত বয়সের কিশোর-কিশোরী, গর্ভবতী মহিলা ও মাসিক পরবর্তী সময়ে নারীদের জন্য ক্যালসিয়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বয়স বাড়ার সাথে সাথে, বিশেষ করে মাসিক বন্ধ হওয়ার পর, মহিলাদের শরীরে হরমোনের ঘাটতি দেখা দেয়। এ সময় তাদের শরীরে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর চাহিদা বৃদ্ধি পায়। ঘাটতি পূরণ না হলে তাদের হাড় ক্ষয় হতে থাকে, হাড়ের ভঙ্গুরতা বাড়ে এবং অস্টিওপোরোসিস রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। দুধের ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি মহিলাদের হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং অস্টিওপোরোসিস রোগের ঝুঁকি কমায়। তাই মহিলাদের জন্য নিয়মিত দুধ পান করা অতীব জরুরী।

ওজন  কমাতে সাহায্য করে: সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে, দুধ ওজন কমাতে সাহায্য করে। দুধে প্রোটিন থাকার কারণে তা অনেক সময় পর্যন্ত পেট ভরা রাখে। ফলে অন্যান্য খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমে। তবে এক্ষত্রে ননীমুক্ত দুধ খাওয়া ভালো। মনে রাখতে হবে, দুধের সরে চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে। এ কারণে ওজন বেশি হলে বা রক্তে চর্বির পরিমাণ বেশি থাকলে দুধের সর ফেলে বাকি অংশ খাওয়া ভালো।

ছবি: নিয়মিত দুধ খেলে হৃদরোগ ও স্ট্রোক জনিত মৃত্যুর ঝুঁকি ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে।

হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও স্ট্রোক জনিত মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে: গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত দুধ খেলে হৃদরোগ ও স্ট্রোক জনিত মৃত্যুর ঝুঁকি ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে। দুধে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে। এই উপাদানগুলো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। ফলে নিয়মিত দুধ খেলে উচ্চ রক্তচাপ জনিত মৃত্যুর হারও হ্রাস পায়।

আরো পড়ুন  রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে প্রতিদিনকার যেসব খাবার

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য: ডায়াবেটিস রোগীরা অনেক সময় দুধ খেতে ভয় পান। তাদের ধারণা দুধ খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। কিন্তু বিষয়টা তেমন নয়। বরং ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও আমিষের উৎকৃষ্ট উৎস হওয়ার কারণে দুধকে ডায়াবেটিস-বান্ধব খাবার বলা হয়। দুধে গ্লুকোজের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম থাকে। তাই দুধ খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি বাড়ে না। এ কারণে ডায়াবেটিসের রোগীদের দুধ খেতে কোন বাধা নেই।

মানসিক চাপ কমায় ও ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে: অবসাদ ও অনিদ্রা হাল আমলের প্রধান দুই সমস্যা। নিয়মিত দুধ খেলে এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। দুধে রয়েছে ট্রিপটোফ্যান। এটি সেরোটেনিন উৎপাদনে সাহায্য করে, যা মস্তিষ্কে সংকেত পাঠিয়ে স্নায়বিক উত্তেজনা প্রশমনে ভূমিকা রাখে। তাই ঘুমানোর আগে এক গ্লাস দুধ পান করলে তা মানসিক চাপ কমায় ও ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে।

চুল ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে: দুধে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অ্যামাইনো এসিড ও খনিজ উপাদান। এই উপাদানগুলো ত্বকের শুষ্কতা হ্রাস করে ও উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। দুধ শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে। ফলে ত্বকের মসৃণতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া নিয়মিত দুধ পান করলে চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়, চুলে গোড়া মজবুত হয় ও চুল পড়া কমে।

ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা থাকলে দুধের বিকল্প: দুধের প্রধান শর্করা হচ্ছে ল্যাকটোজ (Lactose)। এই ল্যাকটোজ পরিপাকের জন্য আমাদের অন্ত্রে ল্যাকটেজ (Lactase) নামক এনজাইম কাজ কের। কারো কারো অন্ত্রে এই এনজাইমের ঘাটতি বা অকার্যকারিতা থাকতে পারে। তাদের ক্ষেত্রে দুধ খেলেই বদহজম হয়, পেট ফেঁপে থাকে কিংবা পেটে অস্বস্তির ভাব হয়। এই সমস্যাকে বলা হয়, Lactose Intolerance বা ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা। যাদের এ ধরনের সমস্যা আছে তাদের জন্য বাজারে ল্যাকটেজ এনজাইম ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায়। এছাড়া তারা দুধের পরিবর্তে দই খেতে পারেন। কারণ দইয়ে থাকা ব্যাকটেরিয়াতে প্রচুর পরিমাণে ল্যাকটেজ এনজাইম থাকে যা ল্যাকটোজকে হজম করতে সাহায্য করে। ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা থাকলে গরুর দুধের পরিবর্তে সয়া দুধও খাওয়া যেতে পারে। সয়া দুধে ল্যাকটোজ থাকে না। ফলে হজমে কোন সমস্যা হয় না। অনেকের ক্ষেত্রে দুধের সাথে অন্য কোন খাবার যেমন রুটি, কর্নফ্লেক্স, মুড়ি বা খই ইত্যাদি মিলিয়ে খেলেও পেটের অস্বস্থি ভাব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।