স্বাস্থ্য

ক্যানসার রোগের চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো কি কি ?

এমবিবিএস। চিকিৎসক ও উদ্যোক্তা। পরিচালক, স্পর্শ মিডিয়া।

ক্যানসার এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম। এখনো মনে করা হয় ক্যান্সার মানেই নিশ্চিত মৃত্যু। অথচ সময়ের সাথে সাথে ক্যানসারের বিরুদ্ধে সংগ্রামে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। দ্রুত রোগনির্ণয় করা গেলে শরীর থেকে ক্যানসারের কোষ সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব। বাংলাদেশেও এখন ক্যানসারের আধুনিক চিকিৎসা হচ্ছে। দেশেই চিকৎসা নিয়ে ইদানিং অনেক ক্যানসার আক্রান্ত ব্যক্তিই সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন-যাপন করছেন। অনেক সময় ক্যানসারের চিকিৎসায় একসাথে একাধিক পদ্ধতিও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অনেকেই মনে করেন ক্যানসারের চিকিৎসা অনেক ব্যয়বহুল। তবে দেশেই এখন অনেক কম খরচে অধিকাংশ ক্যানসার রোগের চিকিৎসা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই দ্রুত রোগ নির্ণয় হওয়া আবশ্যক। চলুন দেশে বিদ্যমান ক্যানসার রোগের চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো জেনে নেই-
১. সার্জারি বা শল্য চিকিৎসাঃ এটিই সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত এবং সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। টিউমার ও পাশের সংক্রমিত এলাকার কোষগুলোকে শল্য চিকিৎসার মাধ্যমে ফেলে দেয়া হয়।

২. রেডিয়েশন থেরাপিঃ এতে আয়নিত রশ্মি দিয়ে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষগুলোকে ধংস করা হয়।

৩. কেমোথেরাপিঃ আমাদের দেশের মানুষের কাছে সব চাইতে পরিচিত পদ্ধতি এটি। এতে ক্যান্সার কোষগুলোকে ওষুধ প্রয়োগ করে ধংস করা হয়।

আরো পড়ুন  ক্যান্সারের ৯টি কারন ও রোগনির্ণয়ের উপায়

৪. মনোক্লোনাল এন্টিবডি থেরাপি

৫. ইমিউনোথেরাপি

৬. স্টেমসেল প্রতিস্থাপণ পদ্ধতি

৭. হরমোন থেরাপি।

আমাদের দেশে ক্যানসার রোগে মৃত্যুর প্রধান কারন দেরিতে রোগ নির্ণয়। মনে রাখা দরকার, ক্যানসার কোষগুলো শরীরে ছড়িয়ে পড়লে তা থেকে নিরাময় খুব কঠিন। তবে যথাসময়ে চিকিৎসা শুরু করতে পারলে বেশ কিছু ক্যানসারই নিরাময় সম্ভব। এমনকি সম্পূর্ণ সুস্থ না হলেও ভালো ফল পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে রোগী যথাযথ চিকিৎসা নিয়ে অন্তত পাঁচ বছরেরও বেশী সময় ধরে সুস্থতার সাথে বেঁচে থাকতে পারেন ।