$wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> $wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> পানিশূন্যতা দূর করবে যে ১০টি খাবার | সুস্বাস্থ্য ২৪
খাদ্য ও পুষ্টি

পানিশূন্যতা দূর করবে যে ১০টি খাবার

পুষ্টিবিদ ও গবেষক, জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ অফিস।

জীবন ধারনের জন্য পানি অপরিহার্য। শরীরে পানির ঘাটতি হলে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। এমনকি কখনো কখনো তা জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। শরীরে পানির চাহিদা পূরনের জন্য শুধু যে পানি, স্যালাইন বা অন্যান্য তরল জাতীয় খাবারই খেতে হবে এমন কোন কথা নেই। বরং প্রচলিত বেশ কিছু খাবারই যথেষ্ট পরিমাণ পানির উৎস হিসাবে ভূমিকা রাখে।

সাধারনত আমাদের দৈনিক চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পানি আসে খাবার থেকে। অথচ অনেক সময়ই আমরা তা খেয়াল করি না। এসব খাবারের বড় সুবিধা হচ্ছে, খাবার থেকে দেহে পানি শোষণে বেশ কিছু সময় লাগে। অর্থাৎ খাবার থেকে ধীরে ধীরে পানি শোষিত হয়। এর ফলে খাদ্য উপাদানগুলো এই পানির সাথে খুব সহজে শরীরে কাজ করতে পারে। আমাদের শারীরিক সুস্থতার জন্য এটা খুবই জরুরী। চলুন, জেনে নেয়া যাক কোন খাবারগুলো পানিশূন্যতা দূর করতে ভূমিকা রাখে।

শসা: শসার ৯৫ শতাংশই পানি, আর এর ক্যালরী খুবই কম। শসার আরো কিছু উপকারী দিক আছে। যেমন: যেকোন প্রদাহ বা ব্যথায় এটি দ্রুত সুস্থতা এনে দিতে পারে। এছাড়া বয়সের ছাপ দূর করতে শসার উপকারিতা অপরিসীম। মনে রাখতে হবে, মুখে মাখার চেয়ে শসা খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। বিশেষ করে সালাদ হিসেবে শসা অতুলনীয়।

গাজর: সুস্বাদু ও পুষ্টিকর গাজরের অধিকাংশটাই পানিপূর্ণ। দেখা যায়, এর প্রায় ৯০ শতাংশই পানি। এছাড়া গাজর খুব উচ্চ পুষ্টিমানসমৃদ্ধ খাবার। গাজরে প্রচুর পরিমানে বিটা-ক্যারোটিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে। এটি হৃদপিন্ডের জন্যেও উপকারী। গাজর সরাসরি, তরকারীর সাথে কিংবা সালাদ হিসেবে খেতে পারেন।

বাঁধাকপি: বাঁধাকপির ৯৫ শতাংশই পানি, এছাড়াও অন্যান্য নিউট্রিয়েন্ট উপস্থিত আছে। বাধাকপিতে প্রচুর পরিমানে ফাইবার আছে যা আপনার পেট পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এছাড়াও বাধাকপিতে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ম্যগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে, যা আপনার সুস্বাস্থ্যের জন্য জরুরী।

পালং শাক: শাক হিসেবে পালং শাক বেশ জনপ্রিয়। পালং শাকেও প্রচুর পরিমাণে পানি বিদ্যমান। এছাড়া পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে, ফলিক এসিড, ম্যাংগানিজ, ম্যাগনেশিয়াম ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। এগুলো শরীরের যেকোন প্রদাহ ও ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে।

আরো পড়ুন  ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতার ১০টি লক্ষণ ও প্রতিকার

ফুলকপি: ফুলকপিতে পানির পরিমান ৯২ শতাংশ। এছাড়াও ফুলকপিতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে সহ আরো অনেক পুষ্টি উপাদান থাকে। ফুলকপি শরীরের অতিরিক্ত কোলেস্টেরোল কমাতে সাহায্য করে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

স্যুপ: স্যুপে যে প্রচুর পানি থাকে সেটা চোখেই দেখা যায়। স্যুপের উপকারীতা অপরিসীম। স্যুপ সহযপাচ্য। এতে প্রচুর পুষ্টি উপাদান ও ফাইবার বা আঁশ পাওয়া যায়, যা খুব সহজেই শরীরে শোষিত হয়। মাছ, মুরগি কিংবা শাক-সবজি প্রায় সবকিছু দিয়েই স্যুপ তৈরী করা যায়। স্যুপ খেতেও খুব সুস্বাদু।

টমেটো: টমেটোতে পানির পরিমান প্রায় ৯৫ শতাংশ। কাঁচা অবস্থায় বা রান্না করে টমেটো খাওয়া যায়। সালাদ কিংবা তরকারীতে, সবখানেই টমেটো একটা মিস্টি ফ্লেভার নিয়ে আসে। টমেটোতে প্রচুর লাইকোপিন সহ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। লাইকোপিন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে উপকারী। এছাড়াও টমেটো শরীরে কোলেস্টেরোল এর মাত্রা কমিয়ে এনে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

তরমুজ: গরমের দিনে শরীরে অতিরিক্ত পানির চাহিদা মেটাতে তরমুজের ভূমিকা অপরিসীম। তরমুজ খেতে মিস্টি ও সুস্বাদু। এতে ক্যালরির পরিমাণ কম। তরমুজ খুব দ্রুত পিপাসা মিটায়। তরমুজের প্রায় ৯১ শতাংশই পানি। তরমুজেও প্রচুর লাইকোপিন পাওয়া যায়। তরমুজ চামড়ার সৌন্দর্যতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

স্ট্রবেরি: স্ট্রবেরীতে প্রায় ৯১ শতাংশ পানি আছে। সাথে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ফ্ল্যাভোনয়েডস পাওয়া যায় যা মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপরকারী। স্ট্রবেরি কাঁচা অবস্থায় কিংবা সালাদ হিসেবে খাওয়া যায়।

দই: দইতে প্রায় ৮৫ শতাংশ পানি পাওয়া যায়। দই ইলেকট্রোলাইটস ও প্রোটিনের দারুণ উৎস, যা আপনার হৃদপিন্ড সহ শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। দই প্রোবায়োটিকের দারুণ উৎস। ফলে এটি হজম ও পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।