$wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> $wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> ডায়াবেটিস রোগীদের যক্ষা হলে করণীয় | সুস্বাস্থ্য ২৪
স্বাস্থ্য

ডায়াবেটিস রোগীদের যক্ষা হলে করণীয়

সহকারী রেজিস্ট্রার, লিভার রোগ বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী।

ডায়াবেটিস আমাদের দেশে খুব পরিচিত এক অসুখ। এখন প্রায় প্রতি ঘরেই ডায়াবেটিস রোগী দেখা যায়। বাংলাদেশে যক্ষারও অনেক রোগী দেখা যায় । ডায়াবেটিস ও যক্ষা দুটিই জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা। কায়িক পরিশ্রম না  করা, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, বংশগত ও অন্যান্য নানা কারণে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস আরও বাড়বে। অন্যদিকে যক্ষা একটি জীবাণুঘটিত রোগ। মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামক এক ধরণের ব্যকটেরিয়া দিয়ে রোগটি হয়। পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়ার পরও যক্ষা রোগ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। প্রতিদিনই যক্ষা রোগে কেউ না কেউ আক্রান্ত হচ্ছে এবং কেউ না কেউ মারা যাচ্ছে।

সাম্প্রতিককালে বিশ্বব্যাপী যক্ষা রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে গেছে। এর জন্য বিভিন্ন কারণ দায়ী । সাধারণ মানুষের চেয়ে ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে যক্ষার প্রকোপ অনেক বেশি। ডায়াবেটিস হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে যক্ষার জীবাণু সহজেই আক্রমণ করে বসে। ডায়াবেটিস তাই যক্ষার ঝুঁকি তিন গুণ বাড়িয়ে দেয়। ডায়াবেটিস যক্ষার চিকিৎসাকে অকার্যকর করতে পারে। আবার যক্ষা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বাধা সৃষ্টি করে। ডায়াবেটিস একটি এমন রোগ, যা দ্বারা শরীরের বেশিরভাগ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আবার যক্ষা রোগও অনেক সময় শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসার সময় অতিরিক্ত সাবধানতা দরকার হয়।

ছবি: দক্ষ চিকিৎসকের অধীনে থেকে ডায়াবেটিস এবং যক্ষা রোগীর চিকিৎসা করতে হয়।

চিকিৎসা:

১. যক্ষা ও ডায়াবেটিস একসাথে থাকলে নানা রকম সমস্যা হয়। কোনো রোগীর যক্ষার ফলে বুকে বা পেটে পানি জমলে তাকে যক্ষা রোগের ওষুধের সঙ্গে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ দিতে হয়, যা রক্তে শর্করার বা চিনিরপরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এক্ষেত্রে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বাভাবিক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ইনসুলিন প্রয়োজন হতে পারে।

আরো পড়ুন  কোন ওষুধ কখন খাবেন, কিভাবে খাবেন

২. যেসব ডায়াবেটিস রোগী দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছেন তাদের বেলায় কিডনির কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। ক্রনিক কিডনি ডিজিজ হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে যেসব যক্ষার ওষুধ কিডনি দ্বারা শরীর থেকে নির্গমন হয়, সেগুলোর মাত্রা কমিয়ে দিতে হতে পারে। কিডনি ডিজিজ থাকলে আবার ইনসুলিন কম দিতে হয়। সেক্ষেত্রে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হয়।

৩. কোন ব্যক্তির ডায়াবেটিস যদি নিয়ন্ত্রণে না থাকে, তাহলে যক্ষার ওষুধ তার শরীরে ঠিকমতো কাজ করে না। আবার যক্ষার ওষুধ কিছু ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসের ওষুধের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। এ কারণে দক্ষ চিকিৎসকের অধীনে থেকে এসব রোগীর চিকিৎসা করতে হয়।

ডায়াবেটিস এবং যক্ষা দুটি রোগই অত্যন্ত ক্ষতিকর। ডায়াবেটিস চিরজীবনের অসুখ। ছয় থেকে নয় মাস ওষুধ খেলে যক্ষা সম্পূর্ণ ভাল হয়ে যায়। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ না করা হলে যক্ষা রোগের সঠিক চিকিৎসা কোনভাবেই সম্ভব নয়। এ দুই রোগে একসাথে আক্রান্ত হলে অবশ্যই  বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। সঠিক চিকিৎসা নিতে হবে। তাহলেই ভালো থাকা সম্ভব হবে।