$wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> $wpsc_last_post_update = 1574076927; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_pages[ "search" ] = 0; $wp_cache_pages[ "feed" ] = 0; $wp_cache_pages[ "category" ] = 0; $wp_cache_pages[ "home" ] = 0; $wp_cache_pages[ "frontpage" ] = 0; $wp_cache_pages[ "tag" ] = 0; $wp_cache_pages[ "archives" ] = 0; $wp_cache_pages[ "pages" ] = 0; $wp_cache_pages[ "single" ] = 0; $wp_cache_pages[ "author" ] = 0; $wp_cache_hide_donation = 0; $wp_cache_not_logged_in = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_clear_on_post_edit = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_hello_world = 0; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_mobile_enabled = 1; //Added by WP-Cache Manager $wp_cache_cron_check = 1; //Added by WP-Cache Manager ?> সুস্থতার জন্য ৬টি উপকারী পুষ্টিতথ্য | সুস্বাস্থ্য ২৪
খাদ্য ও পুষ্টি

সুস্থতার জন্য ৬টি উপকারী পুষ্টিতথ্য

চিকিৎসক ও তরুণ উদ্যোক্তা। বেসরকারী স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।

খাবার গ্রহণের পর তা যথাযথভাবে পরিপাক ও শোষণ করা এবং আত্তীকরনের মাধ্যমে দেহের শক্তির চাহিদা পূরণ , রোগ প্রতিরোধ এবং বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করাকেই পুষ্টি বলে। সুস্থতার জন্য শরীরের পুষ্টির চাহিদা পরিপূর্ণভাবে মেটানো উচিত। সহজ কিছু তথ্য জানা থাকলে খাবার থেকে প্রয়োজন মত পুষ্টি আহরণ করা যেমন সম্ভব হয়, তেমনি সহজেই রোগ-বালাই থেকে মুক্ত থাকা যায়। এমন ৬টি উপকারী পুষ্টি তথ্য নিয়েই আজকের এই লেখা।

১. মূল খাবার (সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার বা রাতের খাবার) গ্রহণের ১ ঘন্টা আগে বা পরে চা বা কফি খাওয়া ঠিক নয়। কারন চা বা কফি আয়রন বা লৌহ জাতীয় খাবার শোষণে বাধা দেয়।

২. আমরা সাধারনত মাছ-মাংস বা ভারী খাবার খাওয়ার সময় লেবু বা ভিটামিন-সি খেয়ে থাকি। কিন্তু শাক-সবজির সাথে ভিটামিন-সি খাওয়া বেশি জরুরী। কারন ভিটামিন-সি মুলত শাক-সবজির আয়রন শোষণের জন্য কাজে লাগে।

৩. সাধারণ কিছু পুষ্টি জ্ঞান থাকলে একই খাবারের ক্যালরির মান বহুগুন পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়া যায়। যেমন: একই ডিম সিদ্ধ করে খেলে ক্যালরি মান ৮০, আর ৩০ মি.লি. তেল দিয়ে ভেজে নিলে ডিমের ক্যালরি মান বেড়ে দাঁড়ায় ৩৫০-এ।

আরো পড়ুন  যে ১২টি উপায়ে ব্রণ থেকে প্রতিকার পেতে পারেন

৪. আমরা অনেকেই হার্টের রোগীদের ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে শুধু সাদা অংশ খেতে বলি। ধারনাটি পুরোপুরি ভুল। কারন ডিমের কুসুমে যে লিপিড (চর্বি) থাকে তা হচ্ছে এইচডিএল(HDL) যা শরীরের জন্য উপকারী। তাছাড়া ডিমের পুষ্টিগুন মূলত কুসুমেই থাকে, সাদা অংশ শুধুই আমিষ (অ্যালবুমিন)।

৫. ভাতের চেয়ে রুটি খাওয়া শরীরের জন্য বেশি উপকারী। কারন রুটিতে আঁশের পরিমান বেশি হওয়ায় তা শরীরে কম শোষিত হয়। ফলে শরীরে মেদ জমার সুযোগ কম থাকে। অধিকাংশ চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এক বেলা ভাত ও দুই বেলা রুটি থাকাটাই উত্তম।

৬. শুধুমাত্র একধরনের সবজি খাওয়ার চাইতে মিক্সড ভেজিটেবল খাওয়া অনেক ভালো। কারন কোন সবজিতেই সব ধরনের অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য উপাদান বিশেষ করে আমিষ একত্রে থাকেনা। তাই বিভিন্ন ধরনের সবজি মিশিয়ে খেলে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানগুলো পাওয়া সম্ভব হয়।