লাইফস্টাইল

আত্মহত্যার কারণ এবং প্রতিরোধে ৩টি করণীয়

চিকিৎসক। মেডিকেল এক্সিকিউটিভ, হোয়াইট হর্স ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।

ইদানিং বেড়ে চলেছে আত্মহত্যার হার। অনেক তরুণ-তরুণীরাই কারণে-অকারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে। মূলত উচ্চমাত্রার স্ট্রেস বা মানসিক চাপ, ক্য়ারিয়ার বা জীবন নিয়ে কনফিউশন কিংবা পারিবারিক সমস্যার কারনে অনেকেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকে। এই ধরণের পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত চাপ সামলাতে না পেরে মৃত্যুকেই সমাধান মনে করে নেয় কেউ কেউ। ছেলেদের আত্মহত্যার চেষ্টাগুলো একটু বেশি মারাত্মক হয়, তাই তারা সফলও হয় বেশি। অন্যদিকে মেয়েরা আত্মহত্যার চেষ্টা করে বেশি, কিন্তু সফল হয় কম।

আত্মহত্যার ঝুঁকিতে কারা আছে? 
১. যেসব তরুণ-তরুণীরা ইতিমধ্যেই এক বা একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে।
২. কোন মানসিক সমস্যা বা রোগ বিশেষ করে ডিপ্রেশন, সিজোফ্রেনিয়া ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত কেউ।
৩. অ্যালকোহল বা অন্যান্য মাদকে আসক্ত ব্যক্তি।
৪. পারিবারিক বা অন্য কোন ভাবে যৌন নির্যাতনের শিকার হলে।
৫. পরিবারের অন্য কেউ বা কাছের কোন বন্ধু-বান্ধবী আত্মহত্যা করে থাকলে।
৬. বড় ধরণের কোন শারীরিক অসুস্থতায় আক্রান্ত হলে।
৭. ভালোবাসার সম্পর্কে টানাপোড়ন ঘটলে।
৮. বিশাল কোন আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হলে।
আত্মহত্যা প্রতিরোধে করনীয়: 
১. কখনো (একবারের জন্য হলেও) আত্মহত্যা করার চিন্তা এলে দেরী না করে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞর শরণাপন্ন হন। ডাক্তারের সাথে মন খুলে কথা বলুন, পরামর্শ নিন।
২. পরিবারের কেউ কিংবা কোন বন্ধু-বান্ধবী আত্মহত্যার কথা শেয়ার করলে বা হুমকি দিলে কখনোই তা হালকা ভাবে নিবেন না। যত দ্রুত সম্ভব তার মনের অবস্থা বোঝার চেষ্টা করুন। তার সাথে কথা বলুন এবং দ্রুত মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হন।
৩. পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কগুলো আরো শক্তিশালী করে তুলুন। ধর্মীয় অনুশাসনগুলো মেনে চলতে আগ্রহী হন।