লাইফস্টাইল

কখন বোতলের ওষুধ ঝাঁকিয়ে খাবেন?

রেসিডেন্ট (এমএস-ইউরোলজি), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

ওষুধের বোতল ঝাঁকানো নিয়া অনেক গল্প প্রচলিত আছে। কিন্তু ঝাঁকানোর কেরামতি আমরা অনেকেই ঠিক মত জানি না। কোন বোতল ঝাঁকানো লাগে, আর কোন বোতলে লাগে না এটা নিয়ে প্রায়ই দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগতে হয়। তবে বিষয়টি খুব জটিল নয়। বরং খুবই সাধারণ একটা সূত্র মেনে চলে। চলুন জেনে নেই সেই সূত্র:

ছবি: কোন বোতল ঝাঁকানো লাগে, আর কোন বোতলে লাগে না এটা নিয়ে প্রায়ই দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগতে হয়।

আমরা জানি, বোতলের ওষুধ দুই ধরনের হয়- সিরাপ এবং সাসপেনশন। সিরাপগুলো সমস্বত্ত্ব দ্রবণ, তাই এটাকে ঝাঁকানো লাগে না। এক্ষেত্রে ওষুধের দানাগুলো পুরো দ্রবণেই সমান ভাবে মিশে থাকে। আর সাসপেনশন গুলো অসমস্বত্ত্ব দ্রবণ। এখানে ছোট ছোট ওষুধের দানাগুলো পানিতে ঠিক মত দ্রবীভূত হয় না। তাই কোন জায়গায় ওষুধের বোতলটি রেখে দিলে ওষুধের গুঁড়াগুলো তলানীতে পড়ে যায়। খাওয়ার আগে ঝাঁকিয়ে নিলে তা পুরো পানিতে সমান ভাবে মিশ্রিত হয়ে যায়।

সুতরাং যেসব বোতলের প্যাকেটে সিরাপ লেখা, তা ঝাঁকানোর দরকার নাই। আর যেসব বোতলের প্যাকেটে সাসপেনশন লেখা, তা খাওয়ার আগে ঝাঁকিয়ে খাওয়া বাঞ্চনীয়। নইলে প্রথম দিকে শুধুই পানি খাবেন এবং শেষের দিকে শুধুই ওষুধের দানা খাবেন।